• পাহাড়ি কাজুবাদাম –ভাজা সল্টেড (1 KG)

    পাহাড়ি কাজুবাদাম – খাঁটি স্বাদ, প্রাকৃতিক পুষ্টি ও প্রিমিয়াম মান

    পার্বত্য চট্টগ্রামের উঁচুনিচু পাহাড়ি অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত পাহাড়ি কাজুবাদাম স্বাদ, গুণগত মান এবং পুষ্টিগুণে অনন্য। কোনো রাসায়নিক প্রক্রিয়া ছাড়াই স্থানীয় কৃষকদের যত্নে সংগ্রহ করা এই কাজুবাদাম সাধারণ বাজারের কাজুবাদাম থেকে সম্পূর্ণ আলাদা—আরও সুস্বাদু, আরও ক্রাঞ্চি এবং আরও পুষ্টিকর।

    কেন পাহাড়ি কাজুবাদাম বিশেষ?

    • ১০০% প্রাকৃতিক উৎপাদন:
      সম্পূর্ণ পাহাড়ে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠা—কোনো কৃত্রিম সার, কীটনাশক বা রাসায়নিক নেই।

    • স্বাদে অতুলনীয়:
      পাহাড়ি মাটি, আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে কাজুবাদামগুলো হয় আরও মোলায়েম, সুস্বাদু এবং ক্রাঞ্চি।

    • উচ্চ পুষ্টিগুণ:
      প্রাকৃতিক প্রোটিন, হেলদি ফ্যাট, ভিটামিন–ই, ম্যাগনেশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শক্তি যোগায়।

    • হার্ট-ফ্রেন্ডলি ও এনার্জি বুস্টার:
      ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সহায়ক, দীর্ঘক্ষণ শক্তি ধরে রাখে এবং দৈনন্দিন স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক হিসেবে আদর্শ।

  • পাহাড়ি আম্রপালি আম (২০ কেজি ফ্যামিলি প্যাক)

    পার্বত্য মুক্ত চট্টগ্রাম কেম সক্রিয় পাহাড়ি আম্রপালি আম

    পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি উর্বর মাটি ও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পরিবেশে সম্পন্ন আম্রলি আমে, গন্ধে এবং মিডিয়া ঢাক অতুলিয়ান। কোনো প্রকার কৃত্রিম হরমোন বা রাসায়নিক ছাড়াই গাছের পরিপক্ক এই আমি অত্যন্ত রসলো ও আঁশহীন। ২০ কেজির এই ফ্যামিলি প্যাকেজটি বড় পরিবার বা প্রস্তাবক আদর্শের জন্য।

    পণ্যের বৈশিষ্ট্য:

    কেম অধিকারমুক্ত চাষাবাদ: কার্বাইড ফরমালিন বা অন্য কোন ক্ষতিকর কার্যকারিতা পাকানোর কাজ সম্পূর্ণ মুক্ত।

    সৃষ্টি ও গুণগত মান: পাহাড়ী মাটির বৈশিষ্ট্য সাধারণ সমতলের আমের এলাকা এটি অনেক বেশি খবর, সুগন্ধ এবং সম্পূর্ণ আঁশহীন।

    তত্ত্বাবধান ও বিশুদ্ধতা: বোইচিত্রো টিমের সার্বক্ষনিক প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সঠিক সময়ে গাছ পেড়ে সর্টিং করা হয়।

    কৃষক কৃষকদের সংগ্রহ: পাহাড়ের কাছের জুম চাষী ও বাগানের কাছ থেকে নিশ্চিতদের ন্যায্য মূল্য সংগ্রহ সংগ্রহ করা হয়।

    উচ্চ মাত্রায় গুণমান: ভিটামিন A, C, ফাইবার ও খনিজ উপকরণ উপকারী

    ও প্যাকেজিং:

    ২০ কেজি (মাঝারি ও বড় সাইজ প্রিমিয়াম)

    ফলে সতেজতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ কুরিয়ার ফ্রেন্ডলি মজবুত ক্যারেট বাবল-লেয়ার কার্টন প্যাকেজিং।

    কুরিয়ার: সুন্দরবন কুরিয়ার (কন্ডিশন)।

    ডেলিভারি সরকার: সম্পূর্ণ ফ্রি!

  • পাহাড়ি কাজুবাদাম –ড্রাই (1 KG)

    পাহাড়ি কাজুবাদাম – খাঁটি স্বাদ, প্রাকৃতিক পুষ্টি ও প্রিমিয়াম মান

    পার্বত্য চট্টগ্রামের উঁচুনিচু পাহাড়ি অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত পাহাড়ি কাজুবাদাম স্বাদ, গুণগত মান এবং পুষ্টিগুণে অনন্য। কোনো রাসায়নিক প্রক্রিয়া ছাড়াই স্থানীয় কৃষকদের যত্নে সংগ্রহ করা এই কাজুবাদাম সাধারণ বাজারের কাজুবাদাম থেকে সম্পূর্ণ আলাদা—আরও সুস্বাদু, আরও ক্রাঞ্চি এবং আরও পুষ্টিকর।

    কেন পাহাড়ি কাজুবাদাম বিশেষ?

    • ১০০% প্রাকৃতিক উৎপাদন:
      সম্পূর্ণ পাহাড়ে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠা—কোনো কৃত্রিম সার, কীটনাশক বা রাসায়নিক নেই।

    • স্বাদে অতুলনীয়:
      পাহাড়ি মাটি, আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে কাজুবাদামগুলো হয় আরও মোলায়েম, সুস্বাদু এবং ক্রাঞ্চি।

    • উচ্চ পুষ্টিগুণ:
      প্রাকৃতিক প্রোটিন, হেলদি ফ্যাট, ভিটামিন–ই, ম্যাগনেশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শক্তি যোগায়।

    • হার্ট-ফ্রেন্ডলি ও এনার্জি বুস্টার:
      ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সহায়ক, দীর্ঘক্ষণ শক্তি ধরে রাখে এবং দৈনন্দিন স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক হিসেবে আদর্শ।

  • পাহাড়ি আম্রপালি আম (১০ কেজি প্যাকেজ)

    পার্বত্য চট্টগ্রামের কেমিক্যাল মুক্ত পাহাড়ি আম্রপালি আম

    পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি ঢালের উর্বর মাটি ও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পরিবেশে উৎপন্ন আম্রপালি আম স্বাদে, গন্ধে এবং মিষ্টিতায় অতুলনীয়। কোনো প্রকার কৃত্রিম হরমোন বা রাসায়নিক ছাড়াই গাছের পরিপক্ক এই আম অত্যন্ত রসালো ও আঁশহীন।

    পণ্যের বৈশিষ্ট্য:

    কেমিক্যাল মুক্ত চাষ: কার্বাইড, ফরমালিন বা অন্য কোনো ক্ষতিকর কৃত্রিম পাকানোর কেমিক্যাল সম্পূর্ণ মুক্ত।

    স্বাদ ও গুণগত মান: পাহাড়ী মাটির বৈশিষ্ট্যের কারণে সাধারণ সমতলের আমের তুলনায় এটি অনেক বেশি মিষ্টি, সুগন্ধযুক্ত এবং সম্পূর্ণ আঁশহীন।

    তত্ত্বাবধান ও বিশুদ্ধতা: Boichitro টিমের সার্বক্ষনিক প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সঠিক সময়ে গাছ থেকে পেড়ে সর্টিং করা হয়।

    সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সংগ্রহ: পাহাড়ের প্রান্তিক জুম চাষী ও বাগান মালিকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে সরাসরি সংগ্রহ করা হয়।

    উচ্চ পুষ্টিগুণ: ভিটামিন A, C, ফাইবার ও খনিজ উপাদান সমৃদ্ধ, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

    ওজন ও প্যাকেজিং:

    ১০ কেজি (মাঝারি ও বড় সাইজের প্রিমিয়াম আম)

    ফলের সতেজতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কুরিয়ার ফ্রেন্ডলি মজবুত ক্যারেট বা কার্টন প্যাকেজিং।

    কুরিয়ার: সুন্দরবন কুরিয়ার।

    ডেলিভারি চার্জ: সম্পূর্ণ ফ্রি!

  • পাহাড়ি শুকনো ধ্যানো মরিচ

    পাহাড়ি ধ্যানো শুকনো মরিচ 

    পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি ঢালে প্রাকৃতিকভাবে চাষ করা পাহাড়ি ধ্যানো মরিচ স্বাদ ও ঝালের জন্য আলাদা পরিচিত। মরিচগুলো আকারে ছোট হলেও ঝাল অনেক বেশি—এটাই এই মরিচের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য। তীব্র ঝাল ও স্বতন্ত্র ঘ্রাণের কারণে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর খাবারে এই মরিচ বিশেষভাবে জনপ্রিয়।

    কোনো রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ছাড়া উৎপাদিত এই মরিচ রোদে প্রাকৃতিকভাবে শুকানো হয়, ফলে এর ঝাল, রং ও স্বাদ দীর্ঘদিন অটুট থাকে। রান্না, ভর্তা, আচার কিংবা শুকনো মসলার মিশ্রণে ব্যবহার করলে খাবারে আসে আসল পাহাড়ি স্বাদ।

    বিশেষত্ব

    • ছোট দানা, কিন্তু প্রচণ্ড ঝাল

    • ১০০% পাহাড়ে উৎপাদিত ও কেমিক্যালমুক্ত

    • প্রাকৃতিকভাবে রোদে শুকানো

    • তীব্র ঝাল ও স্বতন্ত্র ঘ্রাণ

    • পাহাড়ি মানুষের ঐতিহ্যবাহী পছন্দ



  • পাহাড়ি তেঁতুল-1kg

    পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি তেঁতুল – খাঁটি স্বাদ ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ! 

    পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি তেঁতুল স্বাদে তীব্র, গুণে অনন্য ও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত। এটি সাধারণ তেঁতুলের তুলনায় বেশি টক ও মিষ্টি স্বাদের সংমিশ্রণে সমৃদ্ধ এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর।

    পণ্যের বৈশিষ্ট্য:

    প্রাকৃতিক ও অর্গানিক উৎপাদন: রাসায়নিক মুক্ত, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে সংগ্রহ করা হয়।
    বিশেষ স্বাদ: সাধারণ সমতলের তেঁতুলের তুলনায় বেশি টক-মিষ্টি ও সুগন্ধযুক্ত।
    উচ্চ পুষ্টিগুণ: ভিটামিন C, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও মিনারেল সমৃদ্ধ, যা হজমশক্তি বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
    বহুমুখী ব্যবহার:

    • সরাসরি খাওয়ার জন্য আদর্শ
    • আচার, চাটনি, শরবত, বিভিন্ন রান্নায় ও পানীয় তৈরিতে ব্যবহারযোগ্য
      সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সংগ্রহ: পাহাড়ি কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে সংগ্রহ করা হয়।

    ওজন ও প্যাকেজিং:

    ৫০০ গ্রাম / ১ কেজি
    সতেজ ও নিরাপদ প্যাকেজিং নিশ্চিত করা হয়

  • পাহাড়ি মরিচ (ধন্যে মরিচ)-1 kg

    পাহাড়ি মরিচ (ধন্যে মরিচ) – পাহাড়ে জন্মানো সবচেয়ে ঝাল মরিচ

    পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে প্রাকৃতিক পরিবেশে উৎপাদিত পাহাড়ি মরিচ (ধন্যে মরিচ) দেশের অন্যতম সবচেয়ে ঝাল মরিচ হিসেবে পরিচিত। পাহাড়ি মাটি, উঁচু ঢাল, বিশুদ্ধ বাতাস ও জুম চাষ পদ্ধতির কারণে এই মরিচের ঝাল হয় তীব্র, গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী—যা সাধারণ মরিচ থেকে একেবারেই আলাদা।

    এই মরিচগুলো সম্পূর্ণভাবে কৃত্রিম সার ও কীটনাশকমুক্ত, ফলে ঝালের পাশাপাশি এটি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত।

    🚚 ডেলিভারি তথ্য

    • ডেলিভারি দিন: প্রতি সপ্তাহে রবিবার ও বুধবার

    • ডেলিভারি এলাকা: শুধুমাত্র ঢাকা শহরের মধ্যে

  • পাহাড়ি কালো বিন্নি চাল

    পাহাড়ি কালো বিন্নি চাল – পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ও সুস্বাদু!

    পাহাড়ি কালো বিন্নি চাল বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় উৎপন্ন একটি বিশেষ ধরনের চাল, যা তার কালো রঙ ও পুষ্টিগুণের জন্য সুপরিচিত।

    পণ্যের বৈশিষ্ট্য:

    • প্রাকৃতিক ও অর্গানিক চাষ: এই চাল স্থানীয় কৃষকদের দ্বারা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষ করা হয়, যেখানে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না।

    • উচ্চ পুষ্টিগুণ: কালো বিন্নি চালে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার, আয়রন এবং ভিটামিন বি থাকে, যা ক্যান্সার, হৃদরোগ ও স্নায়ুরোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

    • স্বাদ ও সুগন্ধ: এই চালের ভাত সুগন্ধি ও সুস্বাদু, যা বিভিন্ন পিঠা, পায়েস ও অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী খাবারে ব্যবহৃত হয়।

    ব্যবহার:

    কালো বিন্নি চাল দিয়ে পায়েস, ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাটিসাপটা, ক্ষীর ইত্যাদি সুস্বাদু খাবার প্রস্তুত করা যায়। এছাড়া, এই চালের ভাতও অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর।

  • পাহাড়ি কালো বিন্নি চাল

    পাহাড়ি কালো বিন্নি চাল – পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ও সুস্বাদু!

    পাহাড়ি কালো বিন্নি চাল বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় উৎপন্ন একটি বিশেষ ধরনের চাল, যা তার কালো রঙ ও পুষ্টিগুণের জন্য সুপরিচিত।

    পণ্যের বৈশিষ্ট্য:

    • প্রাকৃতিক ও অর্গানিক চাষ: এই চাল স্থানীয় কৃষকদের দ্বারা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষ করা হয়, যেখানে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না।

    • উচ্চ পুষ্টিগুণ: কালো বিন্নি চালে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার, আয়রন এবং ভিটামিন বি থাকে, যা ক্যান্সার, হৃদরোগ ও স্নায়ুরোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

    • স্বাদ ও সুগন্ধ: এই চালের ভাত সুগন্ধি ও সুস্বাদু, যা বিভিন্ন পিঠা, পায়েস ও অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী খাবারে ব্যবহৃত হয়।

    ব্যবহার:

    কালো বিন্নি চাল দিয়ে পায়েস, ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাটিসাপটা, ক্ষীর ইত্যাদি সুস্বাদু খাবার প্রস্তুত করা যায়। এছাড়া, এই চালের ভাতও অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর।

  • পাহাড়ি লাল বিন্নি চাল

    পাহাড়ি লাল বিন্নি চাল – স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিগুণে ভরপুর!

    লাল বিন্নি চাল পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী এক প্রাকৃতিক সুগন্ধি চাল। এটি সাধারণ চালের তুলনায় নরম, সুগন্ধযুক্ত এবং স্বাস্থ্যকর। লালচে রঙের এই চালে রয়েছে উচ্চমাত্রার ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ, যা হজমের সহায়ক ও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কার্যকর।

    পণ্যের বৈশিষ্ট্য:

    প্রাকৃতিক ও অর্গানিক চাষ: রাসায়নিক মুক্ত ও প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত।
    উচ্চ পুষ্টিগুণ:

    • ফাইবার সমৃদ্ধ: হজমে সহায়ক ও দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে।
    • অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও আয়রন: রক্তশূন্যতা দূর করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
    • কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স: ডায়াবেটিস ও হৃদরোগীদের জন্য উপযোগী।
      সুগন্ধি ও সুস্বাদু: ভাত রান্নার পর হালকা মিষ্টি সুবাস ছড়ায়।
    • বহুমুখী ব্যবহার:
    • ভাত, পায়েস, খিচুড়ি, ক্ষীর ও অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী খাবারে আদর্শ।
    • গর্ভবতী মা ও শিশুদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।
       সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সংগ্রহ: স্থানীয় পাহাড়ি কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হয়।
  • সাদা বিন্নি চাল

    সাদা বিন্নি চাল (1kg)

    পার্বত্য চট্টগ্রামের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও প্রকৃতির উপহার—সাদা বিন্নি চাল। পাহাড়ের জুম চাষে সম্পূর্ণ কৃত্রিম সার ও কীটনাশকমুক্তভাবে উৎপাদিত এই চাল আপনাকে দেবে খাঁটি স্বাদ, নিরাপদ খাদ্য এবং প্রাকৃতিক পুষ্টির নিশ্চয়তা। নরম দানা, দ্রুত সেদ্ধ হওয়া এবং মনোমুগ্ধকর সুবাস—সব মিলিয়ে এটি স্বাস্থ্য সচেতন পরিবারের প্রথম পছন্দ।

    প্রধান বৈশিষ্ট্য

    • ১০০% অর্গানিক ও কেমিক্যাল-ফ্রি
      সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক জুম চাষে উৎপাদিত—অতিরিক্ত সার, কীটনাশক বা কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় না।

    • সহজপাচ্য ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ
      ভিটামিন, খনিজ এবং প্রাকৃতিক ফাইবারে সমৃদ্ধ। হজমে সহায়ক এবং সব বয়সের জন্য উপযোগী।

    • ঝরঝরে, নরম ও সুগন্ধযুক্ত
      রান্নার পর ভাত নরম, মোলায়েম ও হালকা মিষ্টি স্বাদের হয়—যা প্রতিদিনের খাবারকে বিশেষ করে তোলে।

    • স্বাস্থ্যবান্ধব
      কম ফ্যাট, কম প্রক্রিয়াজাত—গর্ভবতী মা, শিশু, বয়স্ক ও স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিদের জন্য আদর্শ।

    ব্যবহারে উপযোগী

    • ভাত

    • পায়েস

    • খিচুড়ি

    • ক্ষীর

    • ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খাবার

Main Menu